প্রবাসীদের গর্ব আর আস্থার স্থান বাংলা সংস্কৃতি। দেশের চলচ্চিত্র নিয়েও মনের মধ্যে গর্ব অনুভব করেন তারা। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সম্প্রতি এমনই একটি বাংলাদেশি সিনেমা প্রবাসী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আবহমান বাংলার চলচ্চিত্র প্রবাসীদের আকৃষ্ট করেছে। এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, সাত ভাই চম্পা, ছুটির ঘন্টা, আবির্ভাব, অবান্চিত, স্বরলিপি ও জীবন থেকে নেয়া’র মতো চলচ্চিত্রগুলো যুগযুগ ধরে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে।
বিদেশের মাটিতে দেশীয় সংস্কৃতির এই ধারা অব্যাহত রাখতে কানাডার সিনেমা হলগুলোতে একের পর এক প্রদর্শিত হয়েছে বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। এরমধ্যে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে আসা দর্শক ক্যালগেরি’র প্রবাসী লুবনা জাহান জানান, অসাধারণ অনুভূতি, ছবিটি দেখে খুবই ভালো লেগেছে। আমাদের সংস্কৃতি ধরে রাখতে এ ধরনের ছবির কোন বিকল্প নেই। আমরা চাই এ ধরনের ছবি আরো বেশি বেশি নির্মাণ করা হোক।
ডা. গুলশান আক্তার জানান, আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে আমাদের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে। নতুন নতুন মেধাবী নির্মাতারা তাদের সৃষ্টিশীল কর্মের মধ্য দিয়ে দেশের সংস্কৃতির উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও প্রবাসীদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এমনটাই প্রত্যাশা।
ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পৃথুল হিয়া জানান, ছবিটিতে বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। আমরা চাই হুমায়ূন আহমেদের গল্প নিয়ে আরও বেশি বেশি ছবি নির্মিত হোক।
প্রবাসে বাংলাদেশের কূষ্টি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে বাংলা সিনেমা নিয়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে প্রবাসীদের যে উচ্ছ্বাস তাকে আশাব্যাঞ্জক হিসেবে দেখছেন সব শ্রেনীর দর্শকরা।
প্রসঙ্গত, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের সিনেমার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ‘আয়নাবাজী’, ‘মনপুরা’, ‘দেবী’, ‘হাওয়া’ ও বনলতা এক্সপ্রেসের মতো বাংলাদেশী চলচ্চিত্রগুলো প্রবাসেও দর্শকদের হলমুখী করবে বলে মত দিয়েছেন দর্শকরা।