মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীসহ বাংলাভাষীরা দেশের অবিচ্ছেদ্য জাতিসত্তা। বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু ও বিহুসহ বিভিন্ন উৎসব পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, এসব উৎসব দেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ণিল সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য জাতীয় ঐতিহ্যকে আরও বৈচিত্র্যময় করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূল ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষে মানুষে আত্মিক বন্ধন ও সহাবস্থানের চেতনা এই দেশের মাটির গভীর থেকেই উৎসারিত।
সব নৃ-গোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি ও বিকাশ কামনা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন সুন্দর ও সার্থক হবে এবং সবার জীবন আনন্দঘন হয়ে উঠবে।
নববর্ষে ঐক্য ও সম্প্রীতির আহ্বান
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পৃথক আরেক বাণীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব, যা জাতির সামগ্রিক সত্তাকে ধারণ করে। নববর্ষ নতুন আশা, উদ্দীপনা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। নতুন বছর মানেই অতীতের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়া।
দেশবাসীকে বিভাজন ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, উৎসব ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব মানুষের মিলনমেলা। নববর্ষের নতুন আলোয় দেশের শান্তি, স্বস্তি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি।
নববর্ষের শুরুতে দেশবাসীর ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি আবারও সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।