রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব ‘বৈসাবি’ হচ্ছে না। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান, চাংক্রানদের নিয়ে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এক কথা জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন।
এবার ‘বৈসাবি’ নামে নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব তাদের নিজ নিজ নামে উদযাপন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, বৈসাবি নামটিতে শুধু তিনটা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব ছিলো। যেকারণে এবার সেটি বাদ দিয়ে বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান, চাংক্রান নামে ১২ এপ্রিল থেকে উৎসব পালন শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, ১২ এপ্রিল সকালে র্যালির মাধ্যমে কর্মসূচি উদ্বোধন হবে। পাহাড়ের ঐতিহ্য মেনে রমনা পার্কের লেকের জলে ভাসানো হবে ফুল।
দীপেন দেওয়ান বলেন , প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বকীয় কৃষ্টি সংস্কৃতি রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন। এ দেশে পাহাড়ি বাঙালি ভেদাভেদ নেই। সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য, এখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত রাখা সরকারের লক্ষ্য।