সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা কার্যক্রম থেকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ নেতা হিসেবে তিনি বিভিন্ন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সুনীল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম এর প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অপার সামুদ্রিক সম্পদকে বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই উপায়ে ব্যবহারের মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে জাতীয় সুনীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে “উপকূলীয় অঞ্চল নীতি ২০০৫” প্রণয়ন করা হয়, যা উপকূলীয় উন্নয়ন ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
বর্তমান সরকার সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা থেকে প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুবিধাগুলো বিবেচনায় নিয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে তিনি জানান। এতে মৎস্য, সামুদ্রিক সম্পদ, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে একটি টেকসই উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
প্রয়োজনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরেই এ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।