শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবন, দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন একজন সৎ, আদর্শবান ও নিরহংকার মানুষ। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি দেশের জন্য অবদান রেখেছেন, আর চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন। তার জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও বলেন, ডা. কুদ্দুসকে দীর্ঘদিন কাছে না পাওয়া আমাদের জন্য দুঃখজনক। তবে তার নীতি, আদর্শ ও কর্ম মানুষের মাঝে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে।
জিয়া পরিষদের ভূমিকা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সংগঠনটির উচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম, রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আরও গবেষণামূলক কাজ করা। পাশাপাশি জনগণের সামনে ইতিহাসভিত্তিক সঠিক তথ্য তুলে ধরতে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আবদুল লতিফ। তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ, যিনি নীরবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।
স্মরণসভায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাজনীতিক, পেশাজীবী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। বক্তারা ডা. কুদ্দুসের সততা, দেশপ্রেম, মানবিকতা ও কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।
শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।