ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেছেন, আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে জাল নোট কারবারিদের পাশাপাশি হাটকেন্দ্রিক অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারী ও পকেটমারসহ অন্যান্য অপরাধীদের অপরাধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে গোয়েন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ কাজ করবে এবং করে যাচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) রাতে কোরবানির পশুর হাট প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাল নোট কারবারিদের বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। তাদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। এছাড়া পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে।
তিনি বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে হাটকেন্দ্রিক অপরাধ ঠেকাতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এ সময় অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারী ও পকেটমার চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এসব অপরাধীকে শনাক্ত ও তাদের অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। ঈদের আগে সব স্থানের পাশাপাশি হাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাড়তি নজরদারি রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া হাটে গরু বিক্রেতা, রাখালসহ আগত সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে অপরিচিত কারও দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কারণ অনেক ক্ষেত্রে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে মানুষকে অচেতন করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।
সচেতনতা ও সতর্কতাই এ ধরনের অপরাধ থেকে সুরক্ষার প্রধান উপায় বলে জানান তিনি।
পুলিশ জনতার নিরাপত্তায় সব সময় সজাগ আছে বলেও উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।
এছাড়া, তিনি আজ সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন করেন।