জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাসনীম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে জলবায়ু পরিবর্তন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, অভিবাসন এবং হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাদের দায়িত্ব। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব এবং জীবিকার সংকট মোকাবিলায় আরও বেশি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গবেষণালব্ধ তথ্য ও সুপারিশ নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সংসদীয় ককাস গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়। কপ (কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ) সম্মেলনের সংসদীয় ফোরামে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হন।
এ সময় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসন এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়েও মতবিনিময় হয়। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকা বদলে দিচ্ছে। এর প্রভাবে ধীরে ধীরে সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
রামরু বাংলাদেশের অভিবাসন, শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি নিয়ে গবেষণাকারী অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠান অভিবাসন, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে সহায়তা করে আসছে।