বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করেছেন। গত ১৮ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের বিভিন্ন বিমান ও প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। এ সফরে সামরিক, কারিগরি ও পেশাগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জার্মানির বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্রোব এয়ারক্রাফট এসই-এর আমন্ত্রণে গত ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর দেশটি সফর করেন বিমান বাহিনী প্রধান। এ সময় তিনি টুসেনহাউসেন-ম্যাটসিসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি কারিগরি ও বাণিজ্যিক বিষয়ে কর্ম-অধিবেশনে অংশ নেন এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বিমান বাহিনীতে ব্যবহৃত গ্রোব এয়ারক্রাফটের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে এ সফর সহায়ক হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
জার্মানি সফরকালে বিমান বাহিনী প্রধান রোথেনবাখ আন ডার পেগনিৎসে অবস্থিত ডিয়েল ডিফেন্সের এমএসএএন উৎপাদনকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে চেক প্রজাতন্ত্রের বিমান বাহিনীর কমান্ডার এবং ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্সের চেয়ারম্যানের আমন্ত্রণে গত ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর দেশটি সফর করেন তিনি। সফরকালে প্রাগে অনুষ্ঠিত ‘ফোর্থ এডিশন অব দ্য ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্স’-এ অংশ নেন বিমান বাহিনী প্রধান।
সম্মেলনে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার, মাল্টিরোল লাইট এয়ারক্রাফট, অত্যাধুনিক প্যাসিভ ও অ্যাকটিভ সেন্সর, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, সশস্ত্র মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) এবং ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিমান বাহিনীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং সমসাময়িক নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আলোচনায় উঠে আসে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বাহিনী প্রধানের এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে সামরিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।