ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রেখে জামায়াতের জোট লং মার্চ করায় জ্বালানি সংকট ও জনভোগান্তি আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, কর্মসূচিতে প্রায় এক লাখ লিটার তেল অপচয় হচ্ছে। মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লোকসান হবে।
শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তার ফেসবুক পোস্টটি ডেইলি সানের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘বিরোধীদলের নেতাদের মুখে হতাশার ছাপ! জামায়াত ঘোষিত লংমার্চে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের কোন আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নাই। তারা ভেবেছিল রাস্তার দুই ধারে জনতার ঢল নামবে! জামায়াতের আমিরের গাড়ি জনতার উপচে পড়া ভিড়ে যেতে পারবে না! কিন্তু লংমার্চে এতো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরেও সাধারণ মানুষকে টানতে পারে নি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোট (২ দল জামায়াত জোট ছেড়েছে)।
সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ- জ্বালানি- গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ৬ মাসের সরকার উপর ১৮-২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল। আর স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সংসদ বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে। সুতরাং বিরোধীদলের ৬ দফায় জনগণের কোন আগ্রহ নাই। বরং এভাবে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখায় ও ১ লাখ লিটার তেল অপচয় করার কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে।

এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দৈনিক হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি যাতায়াত করে। জামায়াতের লংমার্চের কারণে এই গাড়িগুলো বন্ধ আছে। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার লোকসান হবে। সম্পূর্ণ দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জনগণের উপর একপ্রকার জোরপূর্বক লংমার্চ নামক আন্দোলন উপর চাপিয় দিয়েছে জামায়াত।’