দুর্নীতি ও অর্থপাচারের এক মামলায় যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত নং ৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের আদেশ সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় সম্রাটকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
আদালত নির্দেশ অনুযায়ী, আসামির ওপর আরোপিত দণ্ডসমূহ একটির পর একটি কার্যকর হবে। ফলে তার মোট সাজা দাঁড়িয়েছে ২০ বছর কারাদণ্ড।
রায়ে আরও বলা হয়, অভিযোগপত্রে উল্লিখিত আসামির অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। পলাতক আসামি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে তার সাজা কার্যকর হবে। আদালত আসামির বিরুদ্ধে সাজার মেয়াদ উল্লেখপূর্বক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসে। সেদিন দুদকের তরফে কৌঁসুলি নুরে আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। দুদকের এ কর্মকর্তাই মামলাটি তদন্ত করেন।