ওয়ান হেলথ ট্রাস্ট ও আইসিডিডিআর,বি’র নেতৃত্বে পরিচালিত গ্লোবাল অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স পার্টনারশিপ (গার্প) একটি নতুন নীতিমালা ব্রিফে জানিয়েছে, টিকার সঠিক ও ব্যাপক ব্যবহার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এমএআর) মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
ব্রিফে বলা হয়েছে, টিকা শুধু রোগ প্রতিরোধেই কার্যকর নয়, বরং অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানো, রোগ বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এভাবে ভবিষ্যতে এমএআর ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ইতিমধ্যেই ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, শিশুমৃত্যু হ্রাস ও রুবেলা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এমএআর ঝুঁকি কমাতে টিকাদানকে আরও সম্প্রসারিত, প্রযুক্তিনির্ভর ও সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে।
গবেষকরা জানান, সময়মতো ও সঠিকভাবে টিকা গ্রহণ বৃদ্ধি করলে সংক্রমণ কমে, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হ্রাস পাবে এবং এএমআর-সম্পর্কিত ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।
ডা. ওয়ারিস আলী খান (আইসিডিডিআর,বি ও গার্প-টিমের সভাপতি) বলেন, “টিকা সংক্রমণ রোধে কার্যকর, সাশ্রয়ী এবং এএমআর ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।”
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, টিকার সঠিক ব্যবহার এবং কভারেজ বাড়ানো হলে বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে সুরক্ষিত জনগোষ্ঠীর দিকে অগ্রসর হতে পারবে।