এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটির অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ড জানিয়েছে, পর্যালোচনায় প্রশ্নে ত্রুটি বা অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বোর্ডের ভাষ্য, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের (২ নম্বর সেট, যমুনা) সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগ সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্যালোচনায় কোনো প্রশ্নে ত্রুটি বা অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে প্রচলিত মূল্যায়ন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষণ করা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে, যাতে কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
এ বিষয়ে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
এদিকে, বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে পৃথক ব্যাখ্যা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, সোমবার (১৩ জুলাই) ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে কয়েকটি কেন্দ্রে, বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সাময়িক ভোগান্তি হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছে পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মতে, ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে ফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থার কারণে একটি বোর্ডের জন্য সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করাও বাস্তবসম্মত নয়।