যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে—এমন আশাবাদ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও কমেছে।
মঙ্গলবারের (১৪ এপ্রিল) লেনদেনে বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৬ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯২ দশমিক ৮৫ ডলারে।
এর আগে সোমবার তেলের দাম একসময় ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেলেও পরে তা আবার কমতে শুরু করে। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশের পর বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সপ্তাহান্তের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ওই নির্দেশ আসে।
তবে পরিস্থিতি কিছুটা বদলায় পরে। হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, অন্য পক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা খুব আগ্রহের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।
এদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান পাঁচ বছর পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের শর্তে অনড় থাকায় তা গ্রহণ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশ পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা নিয়ে একাধিক প্রস্তাব আদান-প্রদান করেছে। যদিও এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা থেকে উভয় পক্ষই দূরে রয়েছে।
তবুও কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, সরাসরি দ্বিতীয় দফা বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় একটি সমঝোতার পথ এখনো খোলা রয়েছে, যা তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। [সূত্র: বিবিসি]