পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, বাংলাদেশী পরিচয়ই সবার বড়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, এবারের দুর্গাপূজা ব্যাপক উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। পূজার উৎসবে হিন্দু-মুসলমান সবাই একাকার হয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভার বৈঠকে সবাইকে নিজ নিজ এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য তাদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি সারাদেশে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিবেশমন্ত্রী মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ফেনীর দাগনভূঞা পৌরশহর ও উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় সব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের পূজার সার্বিক খোঁজ-খবর নেন।
দাগনভূঞা পৌরশহরের দাসপাড়ায় উপজেলার প্রধান পূজামণ্ডপে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রিয় লাল দাসের সভাপতিত্বে এবং নিমাই দাসের সঞ্চালনায় পরিবেশমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আকবর হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফয়জুল আজিম নোমান, জেলা পূজা ফ্রন্টের আহ্বায়ক সরোজ দত্ত, সদস্য সচিব পলাশ দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদক উত্তম পাল, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি নিতাই চরণ দাস এবং পূজামণ্ডপের সাবেক সভাপতি দুলাল চন্দ্র দাস।
এর আগে সোমবার পরিবেশমন্ত্রী সোনাগাজী পৌরশহর ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহবুবউল করিম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদিন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারজাহান হোসাইন ও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল হাসিম।