স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও নাগরিক হিসেবে তাকে মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেই পরিচয়ই তার সবচেয়ে বড় গর্ব।
সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন। মন্ত্রী জানান, মায়ের প্রবল অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেশপ্রেমের টানে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে দীর্ঘ নয় মাস পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের স্বাধীনতা অর্জনে হাজারো তরুণের মতো তিনিও জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারকে স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে উল্লেখ করেন। মেজর জিয়াউর রহমানের যুদ্ধকালীন ভূমিকা এবং পরবর্তীতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি নিজের মাসিক বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গরিব মানুষের কল্যাণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে এই অর্থ ব্যয় হবে। বর্তমানে তার মূল বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, যার ১০ শতাংশ নিয়মিত সরকারি তহবিলে জমা করেন বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নেওয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করা জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়িত্ব।