অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি রুপির অনুদান তছরুপের অভিযোগে ভারতে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করা এই মন্দির পরিচালনাকারী শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করেছে।
এসআইটির অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে আত্মসাতের মামলা করেছে। তাদের সবাইকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ভারতের অন্যতম বৃহৎ তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এই মন্দিরে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ হাজার দর্শনার্থী আসেন; ছুটির দিন ও উৎসবে এ সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ট্রাস্টের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মন্দিরটির অনুদান থেকে আয় হয়েছে ৩.২৭ বিলিয়ন রুপি (প্রায় ৩২৭ কোটি রুপি)। তবে সাবেক এক স্থানীয় আইনপ্রণেতার অভিযোগ, এর মধ্যে ৭ কোটি রুপিরও বেশি অনুদানের হিসাব মিলছে না।
অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন ট্রাস্টের সাবেক হিসাব তত্ত্বাবধায়ক মহিপাল সিং। তিনি দাবি করেন, অনুদানের অর্থ ও স্বর্ণ-রৌপ্যের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার কথাও জানান।
বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং আরও কয়েকজন রাজনীতিক আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে একাধিক আবেদনও দায়ের হয়েছে।
অন্যদিকে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে আগাম দোষী না সাব্যস্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যার কাছে প্রমাণ রয়েছে, তিনি যেন তদন্তকারীদের কাছে তা জমা দেন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।
এসআইটির অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে আত্মসাতের মামলা করেছে। তাদের সবাইকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ভারতের অন্যতম বৃহৎ তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এই মন্দিরে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ হাজার দর্শনার্থী আসেন; ছুটির দিন ও উৎসবে এ সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ট্রাস্টের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মন্দিরটির অনুদান থেকে আয় হয়েছে ৩.২৭ বিলিয়ন রুপি (প্রায় ৩২৭ কোটি রুপি)। তবে সাবেক এক স্থানীয় আইনপ্রণেতার অভিযোগ, এর মধ্যে ৭ কোটি রুপিরও বেশি অনুদানের হিসাব মিলছে না।
অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন ট্রাস্টের সাবেক হিসাব তত্ত্বাবধায়ক মহিপাল সিং। তিনি দাবি করেন, অনুদানের অর্থ ও স্বর্ণ-রৌপ্যের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার কথাও জানান।
বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং আরও কয়েকজন রাজনীতিক আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে একাধিক আবেদনও দায়ের হয়েছে।
অন্যদিকে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে আগাম দোষী না সাব্যস্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যার কাছে প্রমাণ রয়েছে, তিনি যেন তদন্তকারীদের কাছে তা জমা দেন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।