যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় এক বাংলাদেশি নাগরিককে শুধু দাড়ি ও টুপি দেখেই আইএস সন্দেহে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ, মারধর ও নির্যাতন করে ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এ ঘটনাকে বাংলাদেশের নামে ভারতের নতুন প্রোপাগান্ডা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ১৯ আগস্ট সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেনাপোল আইসিপির বিপরীতে পেট্রাপোলে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. জাকির হোসেন (৪১), টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার কাউলজানি গ্রামের বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট নম্বর A03968493।
জাকির হোসেন জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশনে পৌঁছানোর পর পুলিশ তাকে আইএস সন্দেহে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এ সময় তার সঙ্গে অসদাচরণ করা হয় এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন ও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে এনআরবিসি ব্যাংকের দুটি এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি কার্ড জব্দ করা হয়। পরে পাসপোর্টে ভিসা বাতিলের সিল মেরে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।
তিনি বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও বিজিবিকে বিষয়টি জানিয়েছেন। জাকির হোসেন এর আগে ভারতের আর্টেমিস হাসপাতালে চারবার চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের কাগজপত্রও তার কাছে রয়েছে।
দাড়ি বা টুপি দেখেই কাউকে আইএস সন্দেহ করা যায় না। এ ধরনের হেনস্তা বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি ভারতের নিয়মিত আচরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন ভারতীয়দের ভিসাও বাতিল করা উচিত। ভারতীয়দের উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত।