ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, আগামী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা গেলে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসতে পারে।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা যদি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করি, তাহলে সম্ভবত বড় ধরনের সামরিক অভিযান নতুন করে শুরু করার প্রয়োজন হবে না।’ সামরিক শক্তি প্রয়োগ বোঝাতে তিনি ‘কাইনেটিক’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
বেসেন্টের দাবি, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হবে এবং এর ফলে দেশটির বর্তমান শাসনের পতন ঘটবে। একই সঙ্গে ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশকে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা চীনের ওপরও নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বেসেন্ট বলেন, এ ধরনের অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে না করে ব্যক্তিগতভাবে করাই ভালো।
তিনি আরও বলেন, চীনের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। তাই ইরান ইস্যুতে চীনের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অবস্থান নেওয়াই দেশটির জন্য ভালো হবে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।
এদিকে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন বলেও জানিয়েছেন বেসেন্ট।
আগামী সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের পরিধি ও ইরানের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন