জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেন, এই সাফল্যের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর দৃঢ় ও অবিচল সমর্থন। তার সমর্থন ছাড়া এত দ্রুত সময়ে এই আন্তর্জাতিক অর্জন সম্ভব হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এই বিজয় বাংলাদেশের, এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফল।”
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সময় ধরে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা মাত্র কয়েক সপ্তাহের কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে সফলতায় পরিণত হয়েছে, যা সরকারের সক্রিয় নেতৃত্বেরই ফল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে একই সঙ্গে মন্ত্রীত্ব এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে একই ধরনের দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের নজির রয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলেছে।
জাতিসংঘের গোপন ভোটে ৯৯ ভোট পেয়ে তিনি সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। এই বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর বাংলাদেশ আবারও জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ফিরে এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।