দীর্ঘদিন ধরে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল থাকার পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাগলী ও চারাগাঁও শুল্ক স্টেশনে সড়ক পাকা ও সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগলী ও চারাগাঁও শুল্ক বন্দরের সড়ক গুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম সহ ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতারা।
সুনামগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শুল্ক বন্দর বড়ছড়া, বাগলী ও চারাগাঁওতে দীর্ঘদিন ধরে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল অবস্থায় ছিল। ফলে চরম দুর্ভোগ শিকার হচ্ছিলো ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখঞ্জী, বালিজুরি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো.সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলার ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শুল্ক স্টেশনগুলোর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর বন্দর, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও এলাকাবাসীর মধ্যেও পরিবর্তন আসবে। সংসদ সদস্য ও এলজিইডির দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করলে ব্যবসায়ী ও সীমান্ত এলাকার মানুষের সুদিন ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাগলী ও চারাগাঁও শুল্ক স্টেশনের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করা যায় না। এছাড়াও দুর্ঘটনাসহ নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সড়কগুলো পাকা এবং প্রয়োজনীয় সেতু নির্মাণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে সবাই।
বন্দরগুলোর সড়ক ও সড়কে সেতু নির্মান হলে ভারত থেকে আমদানি করা কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন সহজ ও খরচ কমবে বলে জানান বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এছাড়া সড়কগুলো ভাঙা থাকায় শ্রমিক ও পথচারীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল জানান, দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত থাকা সীমান্ত এলাকার মানুষ, বন্দরগুলো ও বন্দরের বেহাল সড়কগুলোর বিষয়ে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল খুবই আন্তরিক। সেকারণেই বন্দরগুলো ও সড়ক পরিদর্শন করেছি।
উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরগুলোর সড়ক পরিদর্শন করা হয়েছে। সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে বেহাল পরিস্থিতি, যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ এবং প্রয়োজনীয় ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই বিষয়ে উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং দ্রুতই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।