সরকার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে দিনটিকে ‘ক-শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি ছুটি পুনর্বহাল করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বৈঠক শেষে রাত ৮টায় তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, দীর্ঘদিন পর ৭ নভেম্বরকে আবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, গত ১৬ বছর দিবসটি সরকারিভাবে পালিত হয়নি, তবে এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং দিনটিতে সরকারি ছুটি থাকবে।
সরকারের মতে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যখন সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও চেতনাকে সামনে রেখেই দিবসটির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পুনর্বহাল করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুমোদন পায়। এর একটি হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য, এবং অন্যটি হলো প্রতি বছরের ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত।