চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সরাসরি যোগাযোগ সম্প্রসারণে সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের ইউনান প্রদেশ। এ লক্ষ্যে কুনমিংয়ে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন চালু, কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং ঢাকা-কুনমিং সরাসরি বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) কুনমিংয়ে ইউনান প্রাদেশিক বাণিজ্য বিভাগের মহাপরিচালক লি চাওওয়েইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শাহানাজ রানু। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত জুনে চীন সফরের সময় স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ইউনান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন শাহানাজ রানু। দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে সহযোগিতার জন্য ইউনান প্রাদেশিক বাণিজ্য বিভাগকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
বৈঠকে জানানো হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর কুনমিংয়ে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের স্থান চূড়ান্ত হয়েছে। এটি দ্রুত চালু, বন্ডেড ওয়্যারহাউস স্থাপন এবং চীনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সহযোগিতার আশ্বাস দেন লি চাওওয়েই।
এ ছাড়া ঢাকা-কুনমিং রুটে আরও এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ করিডোর প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়। আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো এবং পরবর্তী সময়ে বিজিএমইএর প্রদর্শনীতে ইউনানের আরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান কনসাল জেনারেল।
বৈঠকে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমান এবং ইউনান প্রাদেশিক বাণিজ্য বিভাগের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।