8
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা ও সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।
বুধবার (৬ মে) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণে সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়।
উভয় পক্ষ ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতি’ অনুসরণ, উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশ ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এবং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানায়।
বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, পানি সম্পদ ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর আওতায় উচ্চমানের প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্মত হয় দুই দেশ।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। রাখাইন ইস্যুতে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
এর আগে, বেইজিংয়ের দিয়াওউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, প্রধা