প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। তাই দেশ ও জনগণের কল্যাণে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের নির্ভয়ে, নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বুধবার রাতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমেই মানুষের মনে আস্থা তৈরি হয়। প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের সেবার অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
তিনি বলেন, দেশের সমস্যা অনেক, তবে সম্ভাবনাও কম নয়। তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা গেলে এই জনসংখ্যাই দেশের বড় সম্পদে পরিণত হবে।
মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যখন সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে যান, তখন তারা যেন সম্মান ও আন্তরিকতা পান। জনগণ যদি রাষ্ট্রের মালিক হয়, তাহলে অফিস-আদালতে গিয়ে তাদের সেই মালিকানার অনুভূতি পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আইন গুরুত্বপূর্ণ, তবে মানবিক আচরণও অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বৃদ্ধ, অসুস্থ ও অসহায় সেবাগ্রহীতাদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ায়, আর হয়রানি সেই আস্থা নষ্ট করে।
তিনি জনপ্রশাসনকে আরও জনমুখী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সরকারি দপ্তরে মানুষ যেন হয়রানি ছাড়া দ্রুত ও সম্মানের সঙ্গে সেবা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।