ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রথম জানাজা তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের চার সদস্যেরও জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় গ্র্যান্ড মোসাল্লায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী।
জানাজা তিন ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা পড়ানো হয়। দ্বিতীয় ধাপে তাঁর পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল-হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তাঁর নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জানাজা পড়ানো হয়।
জানাজা শেষে খামেনির কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লার ভেতরে নেওয়া হয়। এর আগে শনিবার ভোর থেকেই সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেওয়ায় ইরান সন্তুষ্ট।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানায়, জানাজা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ ইরাকের নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় আলোচনা চলাকালে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন বলে ইরানি সূত্র জানিয়েছে।
[সূত্র: আল-জাজিরা]