মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ইরানে অর্থনৈতিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। এর ফলে দেশটির সরকারবিরোধীরাও পরিস্থিতির কারণে সরকারের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করছেন এক বিশ্লেষক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টিফেন জুনস বলেন, মার্কিন নৌ অবরোধের অর্থনৈতিক প্রভাব ইতোমধ্যে ইরানের মানুষের ওপর পড়ছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির সাধারণ মানুষ আগে থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছেন।
জুনসের মতে, ইরানের বর্তমান সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে অনেক মানুষ মার্কিন অবরোধকে দেখছেন। ফলে ঐতিহ্যগতভাবে যারা ইরান সরকারের বিরোধী, তারাও সরকারের প্রতি তুলনামূলক বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারেন।
তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ভুগছে। এ কারণে সরকারের বিরোধীরাও ইরান সরকারের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারেন।
বিশ্লেষক আরও বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো সম্ভবত তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে চাপ প্রয়োগ করেছে। কারণ শুরু থেকেই এ যুদ্ধ ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয়।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সাধারণ রাজনীতিক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন জুনস।
তিনি বলেন, ট্রাম্প এমন অনেক নীতি অনুসরণ করতে প্রস্তুত, যেগুলো ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয়। এই ধরনের চাপ শেষ পর্যন্ত তাকে অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: আল-জাজিরা